1. jamunaprotidin@gmail.com : jamunaprotidin : Nihal Khan
  2. info@jamunaprotidin.com : Nihal :
বাঁশখালীর গন্ডামারা কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম জমিদাতার পুত্র শ্রমিক হত্যা মামলার আসামি! » Jamuna Protidin
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

বাঁশখালীর গন্ডামারা কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম জমিদাতার পুত্র শ্রমিক হত্যা মামলার আসামি!

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৩৩১ বার পঠিত

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

বাঁশখালীর গণ্ডামারা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম জমিদাতার পুত্র দুবাই প্রবাসী আবুল কালামকে শ্রমিক হত্যাকান্ডের ঘটনার আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অথচ আবুল কালাম ১৬ বছর ধরে দুবাই প্রবাসী। গণ্ডামারা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের দানবীর ও জমিদার হাজী আহমদ কবিরের তৃতীয় পুত্র মোহাম্মদ আবুল কালামকে গত ১৮ এপ্রিল প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় ৬ নং আসামি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, আবুল কালাম ২০০৪ সাল থেকে দুবাই প্রবাসী এবং গত ১০ বছর ধরে তিনি গণ্ডামারা এলাকায় থাকেন না। তিনি বাঁশখালী পৌর শহরের জলদীতে স্থায়ী বাড়ি করে সেখানেই বসবাস করেন।

আবুল কালাম জানান, বর্তমানে এলাকার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই। কিন্তু আমাকে মামলায় ৬ নং আসামি করা হয়েছে। অথচ কেউ যখন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে নির্মাণের জন্য জায়গা দেয়নি তখন আমরাই প্রকল্পের জন্য জমি দিয়েছি। যখন সবাই প্রকল্পের বিরোধিতা করেছে তখন আমরা প্রকল্পের পক্ষে ছিলাম। আমার বাবা হাজী আহমদ কবির ও আমার নানা শশুর গন্ডামারা ইউনিয়নের প্রভাবশালী জমিদার হাজী মোনাফ সিকদারই প্রথম জমি দিয়েছেন। বর্তমানে কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্লান্ট আমাদের জমির উপর নির্মাণ হচ্ছে। কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আমাদের পরিবারের কেউ চাকরি বা ব্যবসা কোনটি করে না। আমি নিজেই পরিবারসহ দেশের বাইরে থাকি।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় একটা গ্রুপ যাদের সাথে আমার জায়গা জমির বিরোধ রয়েছে তাদের ষড়যন্ত্রেই আমাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ আমি পরিবারের চিকিৎসার জন্য তিন মাসের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি। তিনি অবিলম্বে তদন্ত পুর্বক তাকে মামলা থেকে রেহায় দেয়ার দাবী জানান।

এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিউল কবীর জানান, মামলাটি তদন্ত চলছে। তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার নাম মামলা থেকে বাদ যাবে। নিরীহ কাউকেই পুলিশ হয়রানি করবে না বলেও জানান ওসি শফিউল কবীর।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 যমুনা প্রতিদিন
Theme Customized BY Sky Host BD