1. jamunaprotidin@gmail.com : jamunaprotidin : Nihal Khan
  2. info@jamunaprotidin.com : Nihal :
পঞ্চগড়ে মরিচ এর বাম্পার ফলন হলেও চাষিদের কপালে দুশ্চিতার ভাঁজ » Jamuna Protidin
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

পঞ্চগড়ে মরিচ এর বাম্পার ফলন হলেও চাষিদের কপালে দুশ্চিতার ভাঁজ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৩৮ বার পঠিত

উমর ফারুক,পঞ্চগড় :

পঞ্চগড়ে কয়েক বছর ধরে বাজারে মরিচের ভালো দাম থাকায় এবছও ব্যাপক মরিচের আবাদ করেছেন চাষিরা । প্রখর রোদে কৃষকদের নিয়মিত পরিচর্যার ফলে ফলনও খুব ভালো হয়েছে।

তবে করোনার প্রভাবে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় উৎপাদিত মরিচ বাজারজাত করতে না পারায় লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষিরা।সারাবছরই মৌসুমের এ সময়টিতে ভালো দাম পেতেন চাষিরা।

এবার চাষিরা বলছেন করোনার কারনে এবার মরিচের দাম অনেকটাই কমে গেছে।
ফলে অনেক চাষি মরিচ বাজারজাত করতে না পারায় এখন ক্ষেতজুড়ে চোখ ঝাঁঝানোপ পাকা মরিচের লালরং চোখে পরছে।

পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে এখন মরিচ তুলতে ব্যস্ত সময় পারে করছেন কৃষকরা। অনেকটাই আবার বাড়ির আঙিনায় রোদে শুকাচ্ছেন, পরিশ্রমের দাম না পাওয়া উৎপাদিত ফসল।

আর এসব কাজে ভাগ্য বদলের চেষ্টায় ক্ষেত থেকে মরিচ তোলাসহ পুরুষেদের পাশাপাশি বেশ শ্রম দিচ্ছন নারী শ্রমিকরা। জানাযায় প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে প্রয় ৪ টন মরিচ উৎপাদন হয়েছে।

তবে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়ন এর ঝলই, মালাদাম, শিকার পুর, রজলী খালপাড়া, গরিনা বাড়ি ইউনিয়েন সহ সদর ইউনিয়নে মরিচের কোনো খতি না হলেও তেঁতুলিয়া উপজেলায় শিলা বৃষ্টির কারনে ব্যপক খতি হয়েছে।

এছাড়া অন্য সব ইউনিয়নে মরিচ চাষে ভালো উৎপাদন হয়েছে। এ বছর লক্ষমাএা ছাড়িয় গেছে। মরিচের বিভিন্ন জাতের মধ্যে বিন্দূজিড়া, বালুঝুরী, বাংলালীং, সহ আরোর বেশ কয়েকটি জাতের মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।

মরিচ উৎপাদন কারীদের ভাষ্যমতে, ক্ষেত থেকে মরিচ তোলার কাজে সহায়তাকারী শ্রমিকদের উৎপাদনের ৬ ভাগের ১ ভাগ দিতে হয় শ্রমের বিনিময়ে, এছারাও পানি সেচ, সার, ওষুধ, পরিচর্যাবাবদ খরচ করতে হয়েছে অনেক।

বর্তমানে মরিচের বাজার মূল্য নিম্নমুখী হওয়ায় সব মিলিয়ে উৎপাদিন খরচ উশুল নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এবছর ৫৪০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ করেছে কৃষকরা। আগামীতে এ আবাদ ধরে রাখতে হলে কৃষকদের ন্যায্য দাম না দিলে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে ।

বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ শ টাকা দরে, মাঠ পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ক্ষতিপুরনের বিষয়টি কর্তি পক্ষের দৃষ্টিতে থাকলে আগামীতে মরিচ চাষে আরো আগ্রহ থাকবে কৃষকদের।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 যমুনা প্রতিদিন
Theme Customized BY Sky Host BD