1. postmaster@deliveryforfun.com : deltonsun :
  2. gertrude@gameconsole.site : hiltonsoutherlan :
  3. carrington@miki8.xyz : imayfe2724819 :
  4. admin@zahidit.com : Publisher :
  5. nihal.sultanul@gmail.com : Jamuna Protidin : নিউজ এডিটর
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে বাদ পড়ছেন নেতৃত্ব প্রত্যাশীরা » Jamuna Protidin
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাত পার হলেই মান্দা উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচন  হযরত গাজী নুরুজ্জামান পেটান শাহ মাইজভান্ডারীর (রঃ) খোশরোজ শরীফ উদযাপন নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১ দূর্গাৎসব উপলক্ষে মহানগরীসহ ৯টি উপজেলার প্রায় শতাধিক মন্দিরকে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ মোহনপুরে গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান  পুঠিয়ায় পানিতে ডুবে বুদ্ধি-প্রতিবন্ধি যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু’ সঠিক জানতে লাশ ময়না তদন্তে র‍্যাব-৫ এর বিরতিহীন চলমান অভিযানে বিপুল পরিমান হেরোইনসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নওগাঁ মান্দায় ব্যতিক্রমী প্রতিমায় দূর্গাপুজার আয়োজন পাঁচবিবিতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ মোহনপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২০ উদযাপন উপলক্ষে সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে বাদ পড়ছেন নেতৃত্ব প্রত্যাশীরা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৪৬১ বার পঠিত

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা কেন্দ্রে জমা হয়েছে। কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সম্পর্কের শীতলতা কেটেছে। তবে নেতৃত্বের দাবি রাখেন এমন নেতারা বাদ পড়ছেন।

সভাপতি-সম্পাদকের বাইরে তৃতীয় কোনো নেতার আবির্ভাব ঠেকানো হয়েছে। সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও ক্ষমতার বলয়ে থেকে দল পরিচালনার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। বৈরী সময়ে মাঠে দাড়ানোর বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয় নি।

ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনে মূল নেতৃত্বে ছিলেন, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করছেন এমন কাউকে এবার কমিটিতে রাখা হয় নি বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মূল পদের বাইরে সহ-সভাপতি, যুগ্ম-সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক পদ গুরুত্ববহন করে। এসব পদে নেতৃত্বকে বিকশিত ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে সম্মানিত করা হয়। পদগুলোতে নেতৃত্ব দাবি করতে পারেন এমন কাউকে রাখা হয় নি। মূল নেতৃত্বের মধ্যে শুধুমাত্র মহানগর সভাপতির আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নাইমুল হুদা রানাকে ২য় বারের মতো যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে।

নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় নামা অপর দুই নেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক উপেক্ষিত হয়েছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুর্দিনের সাবেক আহ্বায়ক কামরুজ্জামান চঞ্চল মহানগর আওয়ামী লীগের জায়গা না পেয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। এবার তিনি জেলা ও মহানগর দুই প্রস্তাবিত কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। এমনকি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রাকসুর সাবেক এজিএস মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমানের নামটিও প্রস্তাবিত কমিটিতে ঠাঁই পায় নি।

আওয়ামী লীগ নেতা আহসানুল হক পিন্টু রাবি ছাত্রলীগে যে কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সে কমিটির সভাপতি বর্তমানে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৪ সালের সম্মেলনে পিন্টু মহানগর সম্পাদক ডাবলু সরকারের বিপরীতে কারো আশীর্বাদ ছাড়া কাউন্সিলদের প্রায় ৪৫ জনের ভোট পান।

সাবেক মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের নেতা হওয়ার পরও পরিচ্ছন্ন দক্ষ নেতৃত্বের কারণে সর্বমহলে প্রশংসিত। বিগত মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন সরাসরি ভোটে গড়ালে সভাপতির আশীর্বাদপুষ্ট নাইমুল হুদা রানা-ডাবলু-শফিক-পিন্টু চতুর্মুুখী লড়াই হতো। সে লড়াইয়ের ফলাফল শেষ পর্যন্ত কি দাড়াবে, তা কেউই নির্দিষ্ট করে বলতে পারছিলেন না।

শফিকের বড় ভাই আসাদুজ্জামান আসাদও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি/সম্পাদক ছিলেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তরুণ নেতা ও পারিবারিক কারণে মহানগর আওয়ামী লীগে শফিকুজ্জামান শফিকের একটি বলয় তৈরি হয়েছে।

মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবু দুর্দিনে রাজনীতি করেছেন। সিনিয়র এই নেতাকে গত বারের মতো কার্যনির্বাহী সদস্য পদে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। আহসানুল হক পিন্টুকে এবারো কার্যনির্বাহী সদস্য রাখা হচ্ছে। তবে শফিকুজ্জামান শফিককে কোন পদে রাখা হয় নি।

ধারণা করা হচ্ছে, দলের তরুণ অংশের (৩৫-৪৫বছর) একচেটিয়া সমর্থন ও পারিবারিক কারণে (আসাদুজ্জামান আসাদের ভাই) দলের ভেতরে বাড়তে থাকা নীরব সমর্থন তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তৃণমুল বলছে, সরাসরি ভোটের মাধ্যমে দলীয় সম্মেলন না হওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের। মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে জাতীয় চার নেতার পরিবারের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় খায়রুজ্জামান লিটনের কেন্দ্রে যাওয়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। তখন মহানগর আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বের সংকটের মুখে পড়তে হবে।

প্রস্তাবিত কমিটিতে খায়রুজ্জামান লিটনের নিজস্ব বলয় ও সরকার পরিবারের একচ্ছত্র প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এমনটা কেউ প্রত্যাশা করেন নি। জাতীয় নেতা এএইচএম কামারুজ্জামান হেনা পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে দলের সার্বিক স্বার্থে সভাপতি পদে ছাড় দেয়া হয়। এই পদের জন্য কেউ প্রতিদন্দ্বিতা করেন না।

প্রস্তাবিত কমিটি পাস হলে সাধারণ সম্পাদক পদেও একক পরিবারের (সরকার পরিবার) আধিপত্য প্রতিষ্ঠা পাবে।

প্রস্তাবিত কমিটিতে নওগাঁ-৬ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তিযোদ্ধা নওসের আলীকে সহ-সভাপতি রাখা হয়েছে। নওগাঁয় রাজনীতি করলেও তাকে মহানগর সহ-সভাপতি করায় যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছেন তারা বঞ্চিত হয়েছেন। জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করেন এমন একজনকেও সহ-সভাপতি পদে আনা হচ্ছে বলে গুঞ্জন আছে।

এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন অধ্যাপককে সহ-সভাপতি পদে নিয়ে আসা হয়েছে। যা নেতৃত্ব শূন্যতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন অনেকে। নিয়মলঙ্ঘন করে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চাকুরিরত ব্যাংক কর্মকর্তা বদরুজ্জামান খায়েরের নাম রাখা হয়েছে।

মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মোমিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার মহানগর আওয়ামী লীগে স্থান না পেলেও মোমিন-জেডু কমিটির প্রচার সম্পাদক মীর ইসতিয়াক লেমনকে প্রস্তাবিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক রাখা হয়েছে।

মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের নামে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ার অভিযোগ উঠে।

এসময় ডাবলু সরকারের ভাগ্নে মীর ইসতিয়াক লেমনকে নির্বাচনী প্রচারণার বাইরে রাখা হয়। শুধু তাই নয়, লেমনের অর্থের উৎসসহ বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয় সামনে এনে ফেসবুকে বেনামে প্রাচরণা চালানো হয়। সভাপতির বিরাগভাজন থাকলেও সম্পাদকের ভাগ্নেকে পদে রাখা হয়েছে। ডাবলু সরকারের দুলাভাই মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালকে সহ-সভাপতি পদে রাখা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই পদে রয়েছেন।

প্রচলিত আছে যে, ‘সরকার পরিবার মহানগর আওয়ামী লীগের এক তৃতীয়াংশ।’ কমিটিতে মূলত এই একাংশকে অতিরিক্ত মূল্যায়ন করা হয়েছে। বঞ্চিত হয়েছে বাকি দুই তৃতীয়াংশ। যা আগামীতে বড় ধরণের ভোগান্তির কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার কেন্দ্রে প্রস্তাবিত কমিটি জমা দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কমিটিতে কোনো পারিবারিক করণ হয়নি, যোগ্যদের মূল্যায়ন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ বড় একটি রাজনৈতিক দল। স্বাভাবিকভাবে অনেক যোগ্য নেতা রয়েছেন। পরিসরের সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের সবাইকে মূল্যায়ন করা সম্ভব হয় নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | যমুনাপ্রতিদিন.কম

Theme Customized BY LatestNews