1. postmaster@deliveryforfun.com : deltonsun :
  2. gertrude@gameconsole.site : hiltonsoutherlan :
  3. carrington@miki8.xyz : imayfe2724819 :
  4. admin@zahidit.com : Publisher :
  5. nihal.sultanul@gmail.com : Jamuna Protidin : নিউজ এডিটর
দালাল সিন্ডিকেটে জিম্মি মতলব সরকারি হাসপাতাল! » Jamuna Protidin
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যেকোনো অন্যায় ও অনৈতিক কাজের ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে-কুষ্টিয়ায় হানিফ দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আমেরিকা প্রবাসী জসিম উদ্দিন কনক কুষ্টিয়ার নববধুকে প্রকাশ্যে হত্যার অভিযোগ কুষ্টিয়ার মিরপুরে ৩ জেলেকে জরিমানা ফুলবাড়ীতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী লিটনের পূজামন্ডপ পরিদর্শন। লালপুরে বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ডোবায় পরে মা ও মেয়ে নিহত আহত ১০ রাজশাহীর বাঘায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি-কাপড় বিতরণ লোহাগড়ায় সড়কের বিভিন্ন প্রজাতির সরকারী গাছ বিনা টেন্ডারে বিক্রি করার অভিযোগ মান্দায় নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ মৌসুমীর হাসপাতালে মৃত্যু কলেজের খেলার মাঠে ভবন নির্মাণ না করার দাবী

দালাল সিন্ডিকেটে জিম্মি মতলব সরকারি হাসপাতাল!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৫৬ বার পঠিত

মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে দিন দিন দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলছে। দালাল সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনেকে এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত আবার কতৃপক্ষের অনেকে এর বিরোধিতা করলেও সিন্ডিকেটের কাছে অনেকটা অসহায় হয়ে পরে।

নিয়ম না মেনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইটের ৩০ ফুটের মধ্যে গড়ে ওঠছে একের পর এক প্যাথলজি।এই দালাল চক্রের নেপথ্যে রয়েছে মতলবের বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার কতৃপক্ষ।

সরেজমিন দেখা যায় হাসপাতালের ভেতর ঘুরাঘুরি করছেন দালাল চক্রের সদস্যরা। কোনো রোগী হাসপাতালে আসলেই তার সঙ্গে আসা আত্মীয়-স্বজনদের পিছু নিচ্ছে দালালরা। উন্নত চিকিৎসার নামে তাদের ক্লিনিকে যেতে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ আবার রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার নেওয়ার চেষ্টা করছে।

মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ফটকের সম্মুখে এবং আশপাশে গড়ে উঠেছে দশটি রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র বা প্যাথলজি। অতীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশেপাশে গড়ে ওঠা প্যাথলজি মালিকদের নিয়োজিত পুরুষ দালালরা হাসপাতাল থেকে রোগীদের ভাগিয়ে নিয়ে গেলেও বর্তমান সময়ে যোগ হয়েছে মহিলা দালাল। এছাড়া নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখে একে একে গড়ে উঠেছে চারটি প্যাথলজি। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সরকারিভাবে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা রোগীদের হাসপাতালে প্রবেশ করতে হয় এই চার প্যাথলজির সামনে দিয়ে। রোগী ও তার স্বজনরা যখনই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবেশ করবে, ঠিক সেই সময় ওই প্যাথলজির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দালালরা ” আপা এখানে” বলে ডাক-খোঁজ দেয় সাথে থেমে নেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালগন প্যাথলজি একটু দূরে থাকলেও বেশির ভাগ ডায়াগনস্টিকের দালাল’রা থাকেন হাসপাতাল গেইটে কখনো কখনো হাসপাতালের ভিতরে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্যাথলজির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দালালরা যে আপার কথা বলছেন তারাই ডাক্তার। আর এই সকল ডাক্তার’রা হচ্ছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কিছু সংখ্যক ডাক্তার। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে ঐ সকল কিছু সংখ্যক ডাক্তার কে তাঁদের চেম্বার এ নিয়মিত ও সময়মতো দেখা না গেলেও দেখা মিলে বিভিন্ন প্যাথলজিতে। অফিস সময় ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন প্যাথলজিতে বসে রোগী দেখার বিষয়ে কয়েকজন ডাক্তার কে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত হাসপাতালের কিছু সংখ্যক ডাক্তার গজিয়ে উঠা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে এক অলিখিত গোপন চুক্তিতে নির্দিষ্ট সেন্টারে রোগী রেফার করে থাকে। ঐ হাসপাতালের কোন ডাক্তার যদি কোন গরীব অসহায় রোগীকে সরকারি ল্যাবে রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেয়, তাহলে দালালরা সেই ডাক্তারের উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং নানাভাবে তাকে বিব্রত করতে চেষ্টা করে।

সরকারি হাসপাতালে সম্মুখে গড়ে ওঠা প্যাথলজি গুলোতে রোগীদের ডাকাডাকি করে ডাক্তার দেখানোর বিষয়টি নিয়ে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছেন খোদ ওই প্যাথলজিতে রোগী দেখা ডাক্তারগণ। হাসপাতালে কর্মরত একাধিক কর্মচারী জানান, অতীতে তিন-চারজন পুরুষ হাসপাতাল চত্বরে দালালি করত। কিন্তু বর্তমানে পুরুষদের চেয়ে মহিলা দালালের সংখ্যাই বেশি। আর এ সকল দালালরা কোনো-না-কোনো প্যাথলজিতে নিয়মিত বেতনভুক্ত অথবা কমিশনের কাজ করে থাকেন। এই সকল প্যাথলজির মালিকরা স্থানীয় ও প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা তাদের কাছে নিরুপায়। স্যাররা তাদেরকে বেশ কয়েকবার সর্তক করলেও প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতলে ভিতরে ঢুকে দালালি করছে।
হাসপাতাল সম্মুখে নাম না প্রকাশ করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, এই এলাকাটা যেন মাছ বাজার! বাজারের মাছ বিক্রেতারা ডেকে ডেকে মাছের ভাগ বিক্রি করে। আর প্যাথলজির মালিক ও তাদের দালালরা রোগীদের ডেকে ডেকে ডাক্তার দেখান। এমন পরিস্থিতি দেশের অন্য কোন উপজেলায় আছে কিনা আমাদের জানা নেই। অনেক সময় রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নিয়ে মালিকপক্ষ ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও মারামারির মতো ঘটনাও ঘটছে!

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দালাল জানান, হাসপাতাল থেকে কোনো রোগীকে ক্লিনিকে, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিক্ষা নিরীক্ষার জন্য পাঠাতে পারলে তারা ওই রোগীর মোট বিলের ২৫% থেকে ৩০% ভাগ পেয়ে থাকেন। তিনি বলেন শুধু আমরা নিলেই দালাল অনেক ডাক্তাররা ও তো আমাদের মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে রুগীর টেস্টের পার্সেন্টেজ নেয়।

সরকারি হাসপাতালে সামনে এ ধরনের প্যাথলজি ব্যবসা পরিচালনা করা যায় কিনা বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, প্যাথলজিগুলোর অনলাইন লাইসেন্স আবেদনের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল থেকে কত দূরত্বে হবে হবে তার তথ্য নেই, তবে অন্য কোনো আইনে রয়েছে কী না তা খতিয়ে দেখা হবে। যদি এই বিষয়ে আইন থেকে থাকে তবে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | যমুনাপ্রতিদিন.কম

Theme Customized BY LatestNews