1. butjetis@honeys.be : Akram :
  2. end497@eay.jp : alom :
  3. whomap@macr2.com : Ashif :
  4. postmaster@deliveryforfun.com : deltonsun :
  5. gertrude@gameconsole.site : hiltonsoutherlan :
  6. nelianjani34067@gmail.com : ignaciomounts7 :
  7. carrington@miki8.xyz : imayfe2724819 :
  8. admin@zahidit.com : Publisher :
  9. bfniibdsavg@rbufuo.xyz : kenchristenson :
  10. nihal.sultanul@gmail.com : Jamuna Protidin : নিউজ এডিটর
নতুন বছর হোক স্বপ্ন পূরণের আরেকটি সুযোগ » Jamuna Protidin
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১:৫৯ অপরাহ্ন

নতুন বছর হোক স্বপ্ন পূরণের আরেকটি সুযোগ

যমুনা প্রতিদিন অফিস
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১
  • ১২৯ বার পঠিত

ইউসুফ হযরতঃ

একটি নতুন সূর্য, একটি নতুন সম্ভাবনা। প্রতিটি সকালই নতুন নতুন কাজের বিপুল উৎসাহ নিয়ে আসে। বিগত দিনের ক্ষতি পূরণের সুযোগ তৈরী করে। অসঙ্গতি অপূর্ণতা কাটিয়ে উঠার সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে আসে প্রতিটি নতুন ভোর। নববর্ষও তেমন একটি নতুন ভোর, নতুন সূর্য। বিগত বছরের অপূর্ণতা কমি-খামি কাটিয়ে উঠার এবং পুরো উদ্যোমে কাজ শুরু করার আরেকটি সুযোগ এনে দেয় এই নববর্ষ। তারুণ্যের কাছে নব দিন, নববর্ষ মানে তার স্বপ্ন পূরণের আরো একটি সুযোগ।

আমাদের সংক্ষিপ্ত জীবনের প্রতিটি সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা মুল্যবান। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এই সময়ের সমষ্টিই আমাদের জীবন।জীবন গঠনের মুল উৎসই হলো সময়৷ তাই আমাদের জীবন থেকে একটি মুহুর্ত অতিবাহিত হওয়া মানেই মূল্যবান কিছু হারিয় ফেলা। সে জন্য সময়কে কাজে লাগাতে হবে।

নির্ধারিত সময় অতিক্রম করা মানেই একটু একটু করে মৃত্যুর কাছে পৌঁছে যাওয়া। বিগত বছর ২০২০ইং আমাদের বিশাল ক্ষতিগ্রস্থ করে গেছে। করোনা, বন্যা, ক্ষুধার যন্ত্রণা, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা, সব মিলিয়ে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে আমাদের। এসব ক্ষতি কাটিয়ে উঠার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নতুন বছর শুরু করাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।

তারুণ্যের উদ্দীপনাই পারে ক্ষতিগ্রস্থ পৃথিবীটাকে আবার নতুন করে সাজাতে, আরেকটা নতুন করে পৃথিবী গড়তে,সামাজিক অবকাঠামো পুনরুদ্ধার করতে। সে জন্য আমাদের চাই সময়ের কদর। প্রতিটি মুহুর্ত কে দামি মনে করা। নিজেদের মধ্যে সময়ের মূল্যবোধ জাগ্রত করা।

প্রতিটি সকালই নতুন নতুন সম্ভাবনার দার উন্মুক্ত করে। এজন্য আমাদের চাই বিপুল পরিমাণ উৎসাহ। চাই কাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ। অবসর সময়গুলো হোক আরো মূল্যবান।অবসরতায় যেন অলসতা না হয়। শিক্ষার্থীদের উচিৎ বিগত বছরের পড়াশোনার ঘাটতি পূরণে নতুন রুটিন তৈরী করা এবং পুরো উদ্যোমে নিয়ম মাফিক সময়ের অনুসরণ করা। আমরা তরুণরা জেগে উঠলে পৃথিবী জেগে উঠবে। আমরাই পারবো অসুস্থ পৃথিবীকে আবার সুস্থ করে তুলতে। শুধু প্রয়োজন অসাধ্য সাধনের দৃঢ় ইচ্ছা এবং পরিশ্রম করার দারুণ মনোবল।আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করেন। আমিন।

নতুন বছরে উন্মোচিত হোক নতুন দিগন্ত
হুসাইন আহমদ

দেখতে দেখতে একটি বছর শেষ হয়ে গেলো। শুরু হলো নতুন আরেকটি বছর। চলে যাওয়া বছরটি একাই যায়নি, সাথে করে নিয়ে গেছে অনেক কিছুই৷ যা আর কখনো এই পৃথিবীর আলো-বাতাসে ফিরে আসবে না। ২০২০ এর প্রথম সূর্যোদয় যাদের উপর হয়েছে, বছর শেষ শেষ হতে হতে তাদের অনেকের সময় ফুরিয়ে যাবে। ২০২২ এর সূর্যোদয় হয়তো তাদের দেখার সুযোগ হবে না। কী সত্য অমোঘ! ভুলে থাকা যায়, কিন্তু অতিক্রম করা যায় না। তবে দিন-রাতের গমনাগমন, সকাল-দুপুর-বিকেলের প্রাকৃতিক পরিবর্তন, সপ্তাহ-মাস-বছরের এই চক্রাকার আবর্তন- এসব কিছুই বারবার মানুষকে বলে যাচ্ছে তার বেলা ফুরোবার কথা। আমাদের দেহ-মনের পরিবর্তন আমাদেরকে বার্তা দিচ্ছে। আমাদের প্রিয়জনদের চলে যাওয়া আমাদেরকে বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। আমাদেরও বেলা ফুরোবার কথা।

এজন্য মনে রাখা উচিত, মানুষের সময়টাই মূলত জীবন। এর উপর নির্ভরশীল আখেরাতের চিরস্থায়ী জীবন। যে সময়টা আল্লাহর স্মরণ ও তার রাহে ব্যয় হয়, সেটাই মানুষের জীবন। তাছাড়া অন্য সময়গুলোকে জীবনের মধ্যে গণ্য করা অর্থহীন।যে যত দীর্ঘ জীবনের অধিকারী হোক না কেন! তার এই জীবন পশুর জীবন। যদি তার সময় উদাসীনতা, মনোবৃত্তিপূরণ ও মিথ্যা কামনায় কেটে যায়। এবং তার জীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলো ঘুম ও অর্থহীন কাজে বলি হয়ে যায়। তাই নতুন বছরে আমলের উন্নতি করা। নতুন বছরে বিগত বছরের ঘটে যাওয়া ভুল-ভ্রান্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা।এবং নতুন বছরে বিগত বছরের সেই গুনাহগুলো যেন পুনরায় না হয়, সেই চেষ্টা করা।
অতএব, আমরা নতুন বছরে মহান সৃষ্টিকর্তার ডাকে সাড়া দেই৷ সব মোহ-মায়া, অনুরাগ-বিরাগ, দর্পন-অহংকার পুরনো কাপড়ের মত ছুড়ে ফেলি। মহান আল্লাহর প্রতি সমর্পিত হই। তার বাণীকে সত্য বলে মেনে নেই। তাকওয়ার নতুন লেবাসে নিজেদের সুসজ্জিত করি। আর এই নতুন বছরে আমাদের সবার জীবনেই উন্মোচিত হোক নতুন দিগন্ত। আমীন সুম্মা আমিন ।

চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু হোক নতুন বছর
নাজমুল ইসলাম

আবার বছর ঘুরে চলে এল নতুন বছর। ইংরেজি বছর হলেও আমরা অনেকেই সমান ভাবেই পশ্চিমা বিশ্বের মত উদযাপন করি। সবারই একটা সুপ্ত ইচ্ছা থাকে নতুন বছর নতুন কোন কাজ, নতুন কিছু পরিকল্পনা ইত্যাদি। বিগত বছরের সফলতা-ব্যর্থতা, হাসি-কান্নার সংমিশ্রণে পার হয়ে এসে সবারই আশা থাকে নতুন বছরে ভালো কিছু হওয়ার। তবুও জীবনের এই নিয়মে উত্থানপতন অনিবার্য।২০২১ সাল মুসলিম উম্মাহ, দেশ ও মানুষের জন্য যেন উন্নতির দৃষ্টান্ত স্বরূপ হয়। সর্বোপরি অন্যায়, অবিচার, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত একটা সমৃদ্ধশালী উন্নয়নশীল সমাজ ও জাতি আমাদের সবারই প্রত্যাশা।

তাই নতুনকে নতুন করে গ্রহণ করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু হোক নতুন বছর। জরাজীর্ণ অবস্থা কাটিয়ে গা ঝাড়া দিক নতুন প্রজন্ম। দেশ ও সমাজে সৃষ্টি হোক সম্পৃতির দৃষ্টান্ত। আল্লাহ তায়ালা তাওফিক দান করেন। আমিন।

নতুন বছরে চাই স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা
আতিকুর রহমান হাশেমী

নতুন বছর আসে নতুন আশা, স্বপ্ন আর প্রত্যাশা নিয়ে। করোনা মহামারীর জন্য গত বছরের মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ছিল। কয়েক মাস যাবত কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখার পর খুলে দেয়া হয়।কিন্তু স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনো খোলা হয়নি, বন্ধ রয়েছে। অনেক বড় একটা সময় শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে আছে। যদিও অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম চলছে, তবুও শিক্ষার্থীরা অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। করোনায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই সেশনজট সৃষ্টি হয়েছে।”

মোটকথা, নতুন বছরের সব শিক্ষার্থীদের আশার প্রত্যাশা হল, “দ্রুতই হল খুলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে পরীক্ষা এবং ক্লাসগুলো সম্পন্ন করা হোক। যাতে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে না পড়ে৷ এ ব্যাপারে আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নজর দিবে। করোনা ভাইরাস সবার জীবনে একটা প্রভাব ফেলেছে। ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সবাই পার করেছে গত বছরটা। অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক

অবসাদে ভুগছে। ইতিমধ্যে অনেক ক্যাম্পাসেই অনেকে আত্নহত্যার করেছে। যা খুবই দুঃখজনক । এমন নেতিবাচক ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।তাই দ্রুতই যেনো আগের মতো সাধারণ জীবনযাত্রায় ফিরতে পারে শিক্ষার্থীরা । নতুন এই বছরে চাই স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা। ”

নতুন বছর মানেই নতুন কিছু শিখা
সোলাইমান বিন আঃ মুত্তালিব

নতুন কিছু মানেই নতুন কিছু করা,নতুন কিছু পাওয়া। আর নতুনত্ব থেকে শিক্ষণীয় বিষয়গুলো খুঁজে বের করে, শিক্ষার কোঠায় তা আবদ্ধ করে রাখা। প্রতিটি নতুনত্বের মাঝেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে শিক্ষার এমন কিছু উপকরণ৷ যা মানুষকে মরীচিকার মতো হাতছানিয়ে ডাকতে থাকে। তবে উপলব্ধির ধারণ ক্ষমতা কম বলেই অধিকাংশ মানুষ তা থেকে বঞ্চিত থাকে! নতুন পথের যাত্রী হয়ে পিছনের পথ ভুলে যাওয়া যেমন সমীচীন নয়, ঠিক তেমনই নতুন বছর নাগালে পেয়ে, পুরনো বছরটি ভুলে যাওযা মোটেও ঠিক নয়। কারণ সামনের দিনগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য পিছনের দিনগুলোতে রয়েছে শিক্ষার যথেষ্ট উপকরণ।

তাই নতুন বছর পেয়ে খুশিতে আত্নহারা না হয়ে পিছনের দিনগুলোতে চোখ বুলিয়ে দেখা উচিত যে, কত অন্যায় -অবিচার, জুলুম -নির্যাতন আর অপকর্ম সম্পাদিত হয়েছে আমার দ্বারা। হিসাবের খাতাটা একটি বার হলেও চুকিয়ে দেখা দরকার। বিগত বছরের কত দিন কেটেছে আমার সৎকর্মে আর কত দিন ছিলাম আমি অন্যায়ের বেড়াজালে আবদ্ধ। হিসাব না চুকে যেমন ব্যবসায় লভ্যাংশ খুঁজে পাওয়া যায় না। ঠিক তেমনি নতুন-পুরান আর ভালো-মন্দ উলোট-পালোট না করে দেখলে উন্নতি-অবনতি বোধগম্য হয় না। বিজ্ঞদের ভাষায় বলতে হয়,,,
“মানবকূলের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যার গতকালের তুলনায় আজকের দিনটি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত”

মোট কথা, প্রতিদিনই আমাদের এমন কিছু শিখা ও করা উচিত। যা আমাদের জীবনে সুফল বয়ে আনবে। যা আমাদের উভয় জাহানে কল্যাণকর হবে। পরিশেষে বলি,, গতকালের তুলনায় আজ মোরা বিজ্ঞ। আর আগামীকালের তুলনায় আজ মোরা অজ্ঞ।

লেখকঃ- তরুণ লেখক ও প্রাবন্ধিক ফোরাম , দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা, টাংগাইল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | যমুনাপ্রতিদিন.কম

Theme Customized BY LatestNews