1. butjetis@honeys.be : Akram :
  2. end497@eay.jp : alom :
  3. whomap@macr2.com : Ashif :
  4. postmaster@deliveryforfun.com : deltonsun :
  5. gertrude@gameconsole.site : hiltonsoutherlan :
  6. nelianjani34067@gmail.com : ignaciomounts7 :
  7. carrington@miki8.xyz : imayfe2724819 :
  8. admin@zahidit.com : Publisher :
  9. bfniibdsavg@rbufuo.xyz : kenchristenson :
  10. nihal.sultanul@gmail.com : Jamuna Protidin : নিউজ এডিটর
কোয়েলের ডিম : স্বল্পমূল্যে বেশি পুষ্টিগুণ » Jamuna Protidin
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১০:২৫ অপরাহ্ন

কোয়েলের ডিম : স্বল্পমূল্যে বেশি পুষ্টিগুণ

যমুনা প্রতিদিন অফিস
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৬২ বার পঠিত

খামারবাড়িতে স্বল্পমূল্যে ডিম কিনতে গিয়ে যারা হতাশ হয়েছেন তারা দ্বারস্থ হতে পারেন কোয়েলের ডিমের কাছে। কোয়েলের ডিম স্বল্পমূল্যে বেশি পুষ্টিগুণ বিশিষ্ট একটি খাবার।

কোয়েল একটি ছোট্ট পাখি। নিজের আকৃতির মতই ছোট ছোট তার ডিম।মজার বিষয় হচ্ছে খাদ্য উপযোগী যেকোন ডিমের মধ্যে কোয়েলের ডিম পুষ্টিগুণের দিক থেকে এগিয়ে আছে সবচেয়ে বেশি।

মুরগির ডিম পৃথিবীতে বহুল অংশে প্রচলিত হলেও কোলেস্টেরলের কারণে অনেকেই খেতে পারেন না। এছাড়া মুরগির ডিমে আছে বাড়তি হৃদরোগের ঝুঁকি। একারণে দেশে কোয়েলের চাষ বাড়ছে এবং সেইসাথে বাড়ছে কোয়েলের ডিমের চাহিদা।

চিকিৎসকদের মতে কোয়েলের ডিম বিভিন্ন রোগ যেমন-

পুরুষত্বহীনতা, কিডনী সমস্যা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, রক্তস্বল্পতা,অ্যালার্জি,উচ্চ রক্তচাপ,ক্যান্সার, ডায়াবেটিস প্রভৃতি রোগের জন্য উপকারি বলে বিবেচিত।

কম কোলেস্টেরলঃ

মুরগির ডিমের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায় কোয়েল ডিমে কোলেস্টেরল ১.৪% আর মুরগির ডিমে ৪% এবং প্রোটিনের পরিমান মুরগির ডিম থেকে প্রায় শতকরা ৭ ভাগ বেশী।

কর্মদক্ষতাঃ

এই ডিমের মধ্যে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম এবং এমাইনো এসিড এমনভাবে বিন্যাসিত যে এই ডিম শরীরের সব ধরণের পুষ্টির অভাব পুরণ করে শরীরের কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে দেয়।

ভিটামিনের পরিমাণঃ

কোয়েলের ডিমে ভিটামিন বি-১ এর পরিমান মুরগীর ডিম থেকে ছয়গুণ বেশী, আয়রন ও ফসফরাস পাঁচ গুণ বেশী, ভিটামিন বি-২ পনেরো গুণ বেশী।

অ্যান্টিবডি তৈরীঃ

কোয়েলের ডিমে এমন কিছু উপাদান আছে যা শরীরের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি করে।

হৃদযন্ত্রের যত্নঃ

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া সচল রাখতে পারে কোয়েলের ডিম।

শিশুদের জন্য কোয়েল পাখির ডিমঃ

বাচ্চাদের মানসিক, শারীরিক এবং বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে থাকে কোয়েলের ডিম। দুর্বল বাচ্চা থেকে বৃদ্ধরা প্রতিদিন তিন চারটা করে কোয়েলের ডিম খেতে পারেন।

পাকস্থলির সমস্যাঃ

চীনারা কোয়েলের ডিমকে টিবি, অ্যাজমা, এবং ডায়াবেটিস রোগের পথ্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন।

কিডনি ও লিভারের সমস্যাঃ

কিডনি ও লিভারের সমস্যা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে কোয়েলের ডিম।

যকৃত, ত্বক, চুল ও চোখের সুরক্ষা দেয়ঃ

রিবোফ্লাভিন, যা মূলত ভিটামিন বি ২ নামে পরিচিত, দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তিক প্রক্রিয়ার জন্য খুবই দরকারী। সাধারণত ভিটামিন বি ২ সহ অন্যান্য বি শ্রেণীর ভিটামিন আমাদের লিভার, ত্বক, চুল ও চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করে। শরীরে লোহিত রক্ত কণিলা উৎপাদনেও রিবোফ্লাভিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ

কোয়েলের ডিমে প্রাপ্ত খণিজ উপাদানগুলোর একটি হলো সেলেনিয়াম। এই খণিজ দ্রব্যটি প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সেলেনিয়ামে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকোষকে ক্ষয় হয়ে যাওয়া ও জারণ থেকে রক্ষা করে। এইচ আই ভি ও ক্রন’স ডিজিজ আক্রান্ত মানুষের দেহে সেলেনিয়ামের অভাব লক্ষ্য করা যায়। স্বাভাবিক মানুষের শরীরে সেলেনিয়ামের তেমন ঘাটতি পরিলক্ষিত না হলেও প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সেলেনিয়ামযুক্ত খাদ্য রাখাটা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। সেক্ষেত্রে কোয়েলের ডিম অনেক সহায়তা করতে পারে।

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’-এর উৎস কোয়েলের ডিম। কাজেই দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের পেশির দেখভাল করে। চোখে সহসা ছানি পড়তে দেয় না। চোখের বেশ কিছু সাধারণ সমস্যা দূর হয়।।

দেহ পরিষ্কার করে

দেহকে বিষমুক্তকরণ অতি জরুরি বিষয়। পরিবেশের অনেক ক্ষতিকর উপাদান দেহে প্রবেশ করে দূষণ ঘটায়। রক্তপ্রবাহ থেকে এসব উপাদান বের করে দিতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে কোয়েলের ডিম। মূত্রথলি এবং কিডনিতে পাথর হতেও বাধা দেয়।

অ্যালার্জি নিরাময় করে

ডিমের সাদা অংশে থাকে ওভোমিউকয়েড প্রোটিন। এটা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অ্যালার্জির মতো কাজ করে। রক্ত জমাট বাঁধা, ইনফ্লামেশনসহ অ্যালার্জি বিভিন্ন লক্ষণ থাকলে কোয়েলের ডিম খুবই উপকারী। এ ছাড়া সুষ্ঠু বিপাকক্রিয়া ও শক্তি বৃদ্ধির জন্য এই ডিমে ভরসা রাখুন।

সাবধানতা- এই ডিমে সামান্য পরিমাণে সম্পৃক্ত ফ্যাট আছে। কাজেই অতিমাত্রায় খাওয়া ঠিক না। তা ছাড়া এমনিতেই অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়।

যেকোনো ডিমই নিঃসন্দেহে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখার মতো একটি খাবার। কোয়েলের ডিমও তাই। একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েটের অবিচ্ছেদ্য উপাদান হতে পারে ডিম।

তবে মাথায় রাখতে হবে ডিমে আছে বেশ ভালো পরিমাণে ফ্যাট ও কোলেস্টেরল, যা অন্যান্য ফ্যাক্টরের সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন হৃদরোগের সৃষ্টি করতে পারে। তাই আপনার যদি ডায়বেটিস থেকে থাকে কিংবা কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেয়ে থাকেন, ডিম খাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হওয়া তখন একান্ত কর্তব্য।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | যমুনাপ্রতিদিন.কম

Theme Customized BY LatestNews