যমুনা প্রতিদিন
ঢাকাশুক্রবার , ৩০ এপ্রিল ২০২১
  1. English
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরি
  8. ছবিঘর
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. প্রবাসের কথা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
এপ্রিল ৩০, ২০২১ ৯:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গত ২৬ এপ্রিল সোমবার, ২৭ এপ্রিল মঙ্গলবার ও ২৮ এপ্রিল বুধবার ফরিদপুর এক্সপ্রেস ডটকম, বিডিনিউজ২৪.কম,সকালের সময়,দৈনিক দেশজগৎ,সময় সংবাদ.কম, ফরিদপুরনিউজ বিডি. কম, বাংলারআকাশ.কম, বিডিপ্রথমডাক.কম, প্রতিদিননিউজ.কম, বাংলাদেশবুলেটিন.কম, কপোতাক্ষ নিউজসহ বেশকিছু অনলাইন পোর্টালে কথিত সাংবাদিক জিল্লুর রহমান রাসেলের বিরুদ্ধে সমবায় ইউনিয়নের সভাপতিকে হুমকিসহ নানা অভিযোগ, ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কাছে দুই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, ফরিদপুরে জিল্লুর রহমান রাসেলের বিরুদ্ধে সমবায় ইউনিয়নের নানা অভিযোগ, ফরিদপুর সমবায় ইউনিয়নের সভাপতিকে হুমকি, কথিত সাংবাদিক রাসেল ও আকাশের বিরুদ্ধে সমবায় ইউনিয়নের সভাপতিকে হুমকিসহ নানা অভিযোগ শিরোনামে যে সংবাদগুলো প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে যে সকল অনলাইন পোর্টাল এ সকল মিথ্যা নিউজ প্রকাশ করে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবী জানাচ্ছি।

ব্যাখ্যাঃ

সম্প্রতি ফরিদপুর সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাংক এর সাবেক চেয়ারম্যান শেখ ফয়েজ আহমেদের বিরুদ্ধে পাওনা টাকা ফেরৎ না দেয়া ও হুমকি ধমকি দেওয়ায় জেলা সমবায় অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন মোঃ শহিদুল করিম নামের এক ব্যাক্তি।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমি নিম্ন সাক্ষরকারী কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে তার বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশ করি। সেই নিউজ দেখে শেখ ফয়েজ আহমেদ আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা গল্প সাজিয়ে এ সকল পোর্টালে প্রকাশ করিয়েছে।

একটি অভিযোগে জেলা সমবায় ইউনিয়নের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন লিটন জানিয়েছেন আমি উপজেলা সমবায় অফিসারের নিকট থেকে গত ৭/১১/২০২০ তারিখে সমবায় দিবসের অনুষ্ঠানে তথ্য গোপন রাখার চুক্তিতে তিন হাজার টাকা নিয়েছি।

পরবর্তীতে সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি শেখ ফয়েজ আহমেদকে চাপ প্রয়োগ করে আরও ছয় হাজার টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ তিনি করেছেন তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। দুই নং অভিযুক্ত আকাশ সমবায় দিবসের অনুষ্ঠানে ছিলেন না।

ঐ অনুষ্ঠানে আমি দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সহ দৈনিক বাঙালী সময়ের শ্রাবন হাসান, দৈনিক নাগরিক বার্তার নিরঞ্জন মিত্র, দৈনিক আজকের সারাদেশ পত্রিকার রবিউল হাসান রাজিব, আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি এস এম মনিরুজ্জামান ও প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মশিউর রহমান ঝান্ডা উপস্থিত ছিলেন।

এস এম মনিরুজ্জামান অনুষ্ঠান শেষ হবার বেশ কিছুক্ষণ পুর্বে চলে যান। অনুষ্ঠান শেষে সদর উপজেলা সমবায় অফিসার বিরাজ মোহন কুন্ডু শ্রাবন, রাজিব ও আমাকে ডেকে তিন হাজার টাকা সম্মানি দেন এবং বলেন আপনারা পাঁচ জন নিয়েন। আমরা পাঁচজন এই তিন হাজার টাকা নিজেদের মধ্যে বন্টন করে নিই।

২য় যে অভিযোগটি তিনি করেছেন, গত ২৪ এপ্রিল ২০২১ শনিবার দুপুর ১.২০ মিনিটের সময় রাজেন্দ্র কলেজের উত্তর পাশের সড়কে জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি শেখ ফয়েজ আহমেদের গাড়ির গতি রোধ করে থামিয়ে তার বিরুদ্ধে নিউজ করার হুমকি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করি নিম্ন সাক্ষরকারী আমি ও আকাশ।

প্রথমতঃ ঐ দিন ২য় অভিযুক্ত আকাশের সাথে আমার দেখা হয়নি। বরং তিনি ঐ দিন তার নিজের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন এবং একটি নিউজের জন্য বিকেল ৪.৩৫ মিনিটে বক্তব্য নেওয়ার জন্য শেখ ফয়েজ অাহমেদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করেন এবং সে ফোন রেকর্ডটি সংরক্ষিত রয়েছে। ১.২০ মিনিটের সময় চাঁদা দাবী করে নিশ্চয়ই ৪.৩৫ মিনিটে তার সাথে যোগাযোগ করা অসম্ভব ।

দ্বিতীয়ত, ঐ দিন সকালে আমি ও আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি এস এম মনিরুজ্জামান একটি মিটিং দুপুর ১২.৩০ টায় শেষ করি। মিটিং শেষে আমি সদর উপজেলায় যাই তখন আনুমানিক ১২.৪০ বা ১২.৪৫ মিনিট হবে। সেখানে ইউএনও স্যার ঐ সময় তার কক্ষে না থাকায় কিছু সময় আমি তার সিএ কামাল হোসেনের কক্ষে অবস্থান করি।

এর পুর্বে আমি সদর উপজেলা সমবায় অফিসার বিরাজ মোহন কুন্ডুকে ফোন দিলে তিনি সেলুনে গেছেন বলে আমাকে অপেক্ষা করতে বলেন। কিছু সময় পর আনুমানিক ১২.৫০ এর দিকে ইউএনও স্যার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করে অফিসে ফিরে আসলে তার সাথেই আমি তার কক্ষে প্রবেশ করি এবং তার সামনেই আনুমানিক দুপুর ২ টা পর্যন্ত অবস্থান করি।

এ সময় উপজেলা সমবায় অফিসার বিরাজ মোহন কুন্ডু আমাদের সাথে যোগ দেন। সেখানে স্যারের সিএ কামাল হোসেন, উপজেলা পিআইও, পিআইও অফিসের সাব এসিট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেনসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা অবস্থান করছিলেন। দুপুর ২ টার দিকে আমি ও বিরাজ মোহন কুন্ডু একসাথে ইউএনও স্যারের কক্ষ থেকে বের হয়ে নিচে নেমে দুজনে কিছু কথা বলে আমি বিদায় নিয়ে বাসায় চলে আসি। সিসিটিভি ফুটেজ বা কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে।

এখন প্রশ্ন একজন ব্যাক্তি একই সময়ে দুই জায়গায় কিভাবে অবস্থান করতে পারে? অতএব এতে প্রমানিত হয় যে এনায়েত হোসেন লিটন শেখ ফয়েজ আহমেদের পরামর্শ অনুযায়ী নিজের অপরাধ ঢাকতে এবং সকলের নজর অন্য দিকে সরিয়ে নিতে আমাকে ও আকাশকে ফাঁসানোর জন্য এসকল মিথ্যা অভিযোগ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রেরণ করেছে।

আমি এসকল মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে শেখ ফয়েজ আহমেদ ও এনায়েত হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়ায় এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা সকল অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক ও প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সম্মানিত পুলিশ সুপার স্যারকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রিয় পাঠক আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুন নিম্নের ঠিকানায়  jamunaprotidin@gmail.com