1. jamunaprotidin@gmail.com : যমুনা প্রতিদিন : Nihal Khan
  2. info@jamunaprotidin.com : যমুনা প্রতিদিন :
বাঁশখালীতে আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফেরার পথে হামলা, আহত ৪ » Jamuna Protidin
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৪১ অপরাহ্ন

বাঁশখালীতে আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফেরার পথে হামলা, আহত ৪

বাঁশখালী(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০৮১ বার পঠিত

বাঁশখালীতে আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফেরার পথে গরু ব্যবসায়ী সহ ৪ জনের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে শীলকূপ টাইম বাজারের দক্ষিণে সিকদার দোকান এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন হামলায় আহতরা।

জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে বাঁশখালী আদালত ভবন থেকে মামলার জামিন নিয়ে ফিরছিলেন ছনুয়া ইউনিয়নের হাজ্বি আলী মিয়া পাড়ার ছৈয়দ আহমদের পুত্র নুরুল আলম, মো. আজম, মো. মোস্তফা, কাশেফা বেগম। এসময় তারা বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নের টাইম বাজারের দক্ষিণে সিকদার দোকান এলাকায় পৌঁছলে গাড়ির গতিরোধ করে মারধর করে পূর্ব থেকে ওতপেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন। মারধরের ঘটনায় জড়িতরা নুরুল আলমের হাতে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন বলে জানান তিনি।

পরে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে আহত ৪ জনকে।

এ বিষয়ে গুরুতর আহত গরু ব্যবসায়ী নুরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী। কিছুদিন আগে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে ও আমার ভাইদের প্রতারণা মামলায় আসামি করে। ওই মামলায় জামিন নিয়ে বাড়িতে ফেরার পথে গাড়ি আটকে আমাদের উপর হামলা করে ছনুয়া আমির হামজার টেক এলাকার ছানাউল্লাহ, মাহমুদুল ইসলাম, আবদুল হালিম, মান্নান সহ তাদের সঙ্গীয় লোকজন। এসময় আমার হাতে গরু কেনার জন্য রাখা নগদ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা।’

কি কারণে হামলা করেছে জানতে চাইলে নুরুল আলম বলেন, ‘আমার ভাই মানিক আজ থেকে কয়েক বছর আগে আবদুল হালিমের কাছ থেকে ১ কানি জমি ক্রয় করেন। তখন থেকে আবদুল হালিমের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে ৫০০০ টাকা হাওলাদ নেন আবদুল হালিম। পাওনা টাকা চাওয়ার জের ধরে মানিকের সাথে মনোমালিন্য হয় কাজ্বী সাহেবের। এসবের জের ধরে আমাদের উপর হামলা করেছে।’

হামলায় গুরুতর জখমপ্রাপ্ত নুরুল আলমের ভাই আজম বলেন, ‘চাম্বলের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক না হলে আমরা লাশ হয়ে ফিরতাম। উনি আমাদেরকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। উনি পুলিশকে খবর দিয়ে আমাদের জীবন বাঁচিয়েছেন। চাম্বলের চেয়ারম্যানের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’

ভিকটিমের ভাই আহমদ কবির মানিক বলেন, ‘আমার ২ ভাই ও ১ বোন কাশেফা দুপুর ১টার দিকে বাঁশখালী কোর্ট থেকে জামিন নেন। জামিন নিয়ে নিয়ে বাড়িতে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করেছে। আমরা বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না প্রতিপক্ষের লোকজনের কারণে। প্রশাসনের কাছে আমরা নিরাপত্তা চাই। আমরা ভাইয়েরা সুস্থ হলে এ ঘটনায় মামলা করবো।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিপক্ষের ছানাউল্লাহ বলেন, ‘এলাকায় ওরা কেমন লোক সবাই জানে। আহমদ কবির মানিক সহ তার ভাইয়েরা নকল স্বর্ণ ব্যবসা করে। আমার পরিবারের কেউ তাদের উপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছিল না। ঘটনার সময় আমার চাচা কাজ্বী সাহেব ছিলেন উনার প্রতিষ্ঠিত কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ও আর আমি শহরে ছিলাম।’

এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল কবির বলেন, ‘অপহরণের ঘটনা ঘটেনি। কোর্টে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৪জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ







© All rights reserved © 2021 

এই সাইটে নিজম্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি।তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ,আলোকচিত্র ব্যবহার করা বেআইনি।

Theme Customized BY Sky Host BD