ঢাকাশুক্রবার , ১৯ নভেম্বর ২০২১
  1. Entertainment
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ও জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. ছবিঘর
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশজুড়ে
  14. নারী ও শিশু
  15. প্রচ্ছদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আপনাকে গ্রাস করছে নাতো প্রযুক্তির ময়া জাল?

যমুনা প্রতিদিন ডেস্ক
নভেম্বর ১৯, ২০২১ ৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বর্তমান বিশ্বের সব থেকে বর যোগাযোগ মাধ্যম হলো ফেসবুক!!

অবাক হচ্ছেন?মোটেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারন একসময় শুনতাম দিন দিন দেশ ও জাতীর পরিবর্তন আসবে।

দেশ নতুন কোন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাবে।কিন্তু আপনার তীক্ষ্ণ মেধা দিয়ে কি কখন ভেবেছেন?দেশ ও জাতি নয় বরং আমাদের মাঝে বিস্তার লাভ করেছে প্রযুক্তি,আমাদেরকে দুইয়ের কাজ একে করে দেওয়ার বাহানায় যেন ঠেলে দিচ্ছে কেন এক মৃত্যু কুপে।

ভেবেছেন কি?কোন একদিন আমাদের এতই পরিবর্তন আসবে যে বন্ধু- বান্ধব নিজ ধর্ম-বর্ন,পাড়া-প্রতিবেশি,ইমান-আমল সব কিছুই ভুলে যাবে!!সে পরে থাকবে কোন এক রহস্যময় মায়া জালের রহস্য উদ্ঘাটনের পিছনে।

কিন্তু এটাও সত্য কেউ হয়ত এই রহস্যে ঘেরা মায়া জালের আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারবে না!কারন এর পিছনে রয়েছে কোন বড় এক কালো শক্তি।যাদের মূল উদ্দেশ্য হলো যুবকদেরকে কি ভাবে বাস্ত রাখা যায়।যুবকদেরকে ব্যস্ত রাখাই মানে কোন একটা জাতি বা দেশকে অক্ষম করা!আর এই অক্ষমতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মানুষের নিজস্ব চিন্তা চেতনা।সে যেন এখন আর মানুষ নেই কোন এক রিমোর্ট যেন তাকে কন্ট্রোল করছে।

এভাবেই কন্ট্রোলিং এর মাধ্যমে এক পর্যায়ে কোন জাতি বা দেশকে অপর কোন এক কালো শক্তি গ্রাস করে নিয়ে যাচ্ছে।যেন কারোই নেই এর নজরদারি,কেউ যেন লাগাচ্ছেন না তাদের গায়ে।সেই সাথে প্রযুক্তি এই অবেলার বড় এক ছলনায় যেন দুব দিয়েছে হাজারো মানুষ।

সেই একই যুক্তিতে তৈরি হলে(window) উইনডো যার অর্থ দারায় জানালা!আর যে এই জানালা দিয়ে একবার উকি মারে সে অন্য কোন কালো শক্তির কাছে ধরাসায়ী হয়ে যাবে এটাই তাদের ফাদ!

যখন সে এই (Window)জানালা এর ফাকা দিয়ে মাথা বের করছে সে যেন আর ঘরে ফিরছে না!!যেখানে একটা সময় ছিল স্কুল,কলেজ ছুটির পরে বন্ধুরা মিলে মাঠে খেলতে যেত।আর সেখানে আজ স্কুল,কলেজ ছুটির পরে শুরু হয় গেমস আর চ্যাটিং এর মহা আসর।ঘন্টার পরে ঘন্টা কেটেই যাচ্ছে।তবুও যেন শেষ হচ্ছে না তাদের সময় ও আগ্রহ।

এইসব ফাদে পা দিয়ে বর্তমানের যুবকরা ভয়ংকর আরেক রাজ্যে পারি জমাচ্ছে।রাত হলে বা একা থাকলেই যেন খুশির আমেজ ফুটে ওঠে সেই রাজ্যে।যাকে বিভিন্ন নামে মানুষ চিনে থাকেন,নীল দুনিয়া,একাকিত্বের সঙ্গি, ইত্যাদি।

তবে শুদ্ধ ভাবে যার নাম (পর্নোগ্রাফি) নামেই বেশ পরিচিত।১৬ থেকে ২২ বছর পর্যন্ত বয়সের ছেল মেয়েরা ৯৯% এই পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত।এরা এখন চাইলেই যেন আর পারছে না স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে।

কেন যেন দিন দিন তাদের মুখ ভারি হয়ে যাচ্ছে।একাকিত্বে চরম ভাবে তারাই বুগছে।যেন এই দুনিয়ায় কেউ নেই তার জীবনে।সে চাচ্ছে এই রঙ্গিন আকাশে ডানা মেলে উরতে কিন্তু কেন যেন সে পারছে না।সে চাচ্ছে নিযের দক্ষতা দিয়ে কিছু একটা করতে সেটাও কেন যেন হচ্ছে না।দিন দিন অরুচি,আর অস্বাস্থ্য নিয়ে সে যেন মহা চিন্তিত।না বাবা মা নিচ্ছে সন্তানের কোন খবর।না নিচ্ছে স্কুল টিচার রা।

অথচ একটা ছেলে বা মেয়েকে যখন স্কুলে ভর্তি করানো হয় তখন ছেলে মেয়ের দায়িত্বেের ভার যেন তার মা বাবার কাছেই সীমাবদ্ধ না।শিক্ষক, শিক্ষিকার কাছেও চলে যায়।

একজন শিক্ষক ও ভালো করে জানেন ছেলে মেয়েরা কি করছে বা করে।কিন্তু এতকিছু যানা সত্যেও কেন তারা ঠেলে দিচ্ছে এই আগুনের দিকে?কেন তারা বুঝেন না একটা জীবনের মানে?

কারন দুইটাঃ একটা হলো আগের মত দায়িত্ববোদ বর্তমানের কোন শিক্ষক শিক্ষিকার ভিতরে কাজ করে না।কারন সবাই তাদের নিজস্ব কেরিয়ার নিয়ে ব্যাস্ত।যখন একটা ছেলেকে মেবাইল নিয়ে ক্লাসে ঢুকার অনুমতি একজন শিক্ষক দিতে পারে।তাহলে ক্লাসে বসে পরার নামে বহুত কিছু করে ফেলা স্বাভাবিক।

আর এই কারনের ভিতর দিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় কারনের উৎপত্তি।একজন ছাত্র যখন মোবাইলটা হাতে নিবে সে শুরুতেই ইন্টারনেট চালু করে হয়ত ফেসবুক,টুইটার, ইনস্টাগ্রাম,না ওয়াটস এপ ইত্যাদি তে সে প্রবেশ করবেই। আর এই দিয়েই শুরু তার (উইনডো) তে প্রবেশ করা।

যে কখনো ফোন টিপতে পারত না সেও এখন ডার্ক সাইটের নিয়মিত বড়ো একজন কর্মি হিসেবে কাজ করছে।ভাবতেও লজ্জা লাগে কারন এমন একটা সময় এসে পরেছে বর্তমান দুনিয়া যেখানে না নিচ্ছে কেউ কারো খবর না আছে জবাব দিহিতা,না আছে শান্তি।কারন আমাদের জন্যই এগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

দ্বিতীয় কারনঃ সেটা হলো (উইনডো) একবার সে ভিন্য যগতে পা ফেলেছে কি আর ফিরে আশতে চাইলেও সম্ভব না।একটা জরিপে যানা গেছে বর্তমান বিশ্বের ১৫-২৫ বছর বয়সের ছেলে মেয়েরা শতকরা ৯৪.৬৭% স্মার্ট ফোন ইউজার।আর এই স্মার্টফোন যেন আমার আপনার জীবনে ডেকে আনছে কাল।

দিন দিন যেন ধলে পরছেন মৃত্যুর কোলে।স্মার্টফোন বর্তমানে এমন এক জিনিষ হিসেবে ব্যাবহার হয় যেন সে এক মহা মুল্যবান ঔষধ!যেটা আমাদের কাছে না থাকলে যেন আমাদের প্রান বাহির হয়ে যায়।

তাই প্রতিটি বাবা মায়ের উচিৎ ছেলে মেয়েদের হাতে পর্যন্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত মেবাইল না দেওয়া উচিৎ।নিজের সন্তান সন্ততিদেরকে এভাবে যেন আর ঠেলে দেয়না সমাজের কোন মা কোন বাবা।

হয়ত আপনি দুনিয়া থেকে চলে যাবেন কিন্তু এই পাপের প্রায়াচিত্তে ভুগতে থাকবে আপনার আদরের সন্তানরা।তাই বলি এখন সতর্ক হয়ে যান।অন্যকে সতর্ক করে দেন।এর দ্বারা দেশ ও জাতির উভয়ের কল্যান হবে।আর যে মানুষের কল্যনাে অগ্রগামি সয়ং আল্লাহ তার পথকে পরিষ্কার করে দিবেন,তার ভবিষ্যৎ কে সুন্দর করে দিবেন।সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন।

মোঃ রায়হান শেখ
সাইবার নিরাপত্তা কর্মি (Individual Cyber Security Help)

যেকোনো সংবাদ পাঠান এই ইমেইলে [email protected]