যমুনা প্রতিদিন
ঢাকাশুক্রবার , ২৩ এপ্রিল ২০২১
  1. English
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরি
  8. ছবিঘর
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. প্রবাসের কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাহিনিঃ অথবা প্রেমের গল্প

যমুনা প্রতিদিন
এপ্রিল ২৩, ২০২১ ১০:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লেখকঃ তাসফীর ইসলাম (ইমরান)

অযথাই মেঘ জমে!
অসময়েই বৃষ্টি নামে!
অসময়ের বৃষ্টিকে বলি- জানো কি?

কারো জীবনের আকাশে প্রখর রৌদ্র, কারো-টাতে একটুখানি ছায়া, আবার কারো-টাতে কালবৈশাখী ঝড়। আপনারটাতে কি হচ্ছে…?

মানুষের জীবন কাহিনী আসলেই রহস্যঘন।
কেউ স্বপ্ন দেখে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে,
কেউ দেখে জেগে জেগে।
কোন স্বপ্ন দেখতে মজা বেশি।
বলতে পারেন…?

আমার আজ পর্যন্ত জেগে আর ঘুমিয়ে কোন স্বপ্ন দেখার সক্ষমতা হলো না। ঘুমের স্বপ্নগুলো মনে হয় ভয় আর জয়ের। আর জেগে থাকার স্বপ্নগুলো মনে হয় একটু রোমান্টিকই বেশি হয়। এগুলো নিয়ে অনেক ভাবছি কিন্তু ওরকম স্বপ্ন দেখার সক্ষমতা ১৯ বছর জীবনে আমার হয়নি।

২০০৬ সাল থেকে যখন ভালো-মন্দ বুঝতে শিখেছি তখন একটু-আধটু ভাবতাম। তবে ২০১১ সাল থেকে ছোট্ট একটা স্বপ্ন লালন করতে আছি। রোজ গাছে যেমনটা পানি দেয় মানুষ সেরকম একটু-আধটু পরিচর্যা করে এ পর্যন্ত আশা। জানিনা সেই স্বপ্ন নামের গাছটার ফল খেতে পারবে কিনা আমার বাবা-মা। আল্লাহ আমার সহায় হোক। আমি যেন পারি।

মানুষ যখন নতুন প্রেমে পড়ে তখন
প্রেমিক-প্রেমিকা দুজনের চোখ অনেক গভীর হয়ে যায়!
সমুদ্রের মতো! তাইতো যে কেউ তাকালেই ডুবে যায়!
দুজনের চোখে হাজার ভাষা,
হাজার প্রশ্ন, হাজার কান্না, হাজার স্বপ্ন!!

জানো?
ঐ চোখগুলোতে আগে কখনো এতটা রহস্যময় ছিলোনা!
একসময় এই চোখে সকালে-বিকেলে দুষ্টমি খেলা করতো! তখন তারা ঠিক ঘুমিয়েই ভয় আর জয়ের স্বপ্ন দেখতো…!

আর এখন?
ঐ চোখগুলোতে জোড়াতে ধারণ করে রেখেছে হাজার হাজার কথা, রহস্য এবং তুমি অসময়ের বৃষ্টিকে!
যাকে বলে জেগে জেগে দেখা রোমান্টিক স্বপ্ন…!

ভালো থেকো প্রিয় বৃষ্টি, ভালো থেকো মেঘ, তখন তার আকাশে রৌদ্র, বৃষ্টি, ছায়া, যাই থাকুক না কেন সবকিছুই রোমান্স/ রোমান্টিক।

কেউ তখন সময় নিয়ে চিন্তা করে না। এই স্বপ্নটা কতক্ষন দেখা যাবা। ঘুমিয়ে থাকা স্বপ্ন যতখুন ঘুমিয়ে থাকবেন ঠিক ততখুনই আর জেগে থাকা স্বপ্ন যতখুন দু’চোখ খোলা। আর নিজের যত্নে লালন করা স্বপ্ন যেটা ধীরে ধীরে বড় করে আসছেন সেটা তো যতদিন বেঁচে আছেন ঠিক ততদিনই আপনি লালন করতে পারবেন।

নিজের বাবা-মা যেমনটা সন্তানকে ভালোবাসে, লালন করা স্বপ্নটাও ঠিক ততটাই নিজের প্রিয় হয়, যত্নের হয়। এ স্বপ্নে কেউ যদি একটুখানি ফাটল ধরাতে চায় আপনার তখন ঠিক কতটা খারাপ লাগবে বলতে পারেন। আজ পর্যন্ত কেউ কি ভালোবাসার মানে আমি ওর সাথে প্রেম করেই ছাড়বো…

এরকম কোনো স্বপ্ন কেউ কি লালন করেছে। হয়তো করতে পারে শিরি-ফরাদ, লাইলি-মজনু। কিন্তু ১০০ জনের ৭০ জন মানুষই তার জীবনের স্বপ্ন লালন করেছেন।

লালন করা স্বপ্নের সময় লাগে। একটা মজবুত ভীত লাগে। একজকে ভালোবাসি বললেই হয় না। তার ভালোবাসার সম্মানটা দিতে হয়। তার কথার মান রাখতে হয়। তাহলেই বোঝা যায় কতটা ভালোবাসা আছে ঐ ভালোবাসায়।

এ পৃথিবীতে আপনি কাকে বিশ্বাস করে আপনি আপনার মনের কথা বলবেন। মা-বাবা, আবার কারো প্রিয় হয় বন্ধু-বান্ধব, হয়তো কারো আবার মামা। একজন অবিবাহিত সন্তানের সবথেকে প্রিয় থাকে মা-বাবা, বিবাহিত মানুষের প্রিয় থাকে বউ, স্বামী। যাদের কাছে মনের কথা বেশি সময় বলে থাকে।

হ্যাঁ আজ আমি বলছি একদিন মিলিয়ে নিয়েন আপনারা। এ পৃথিবীতে কেউ আপনার পরিপূর্ণ আপন নয়। আপনি যখন একা হাটবেন তখন দিনে মনে হয় আপনার ছায়াটাও সাথে হাটে। একবারও কি দেখেছেন রাতের বেলা আপনার ছায়াটাও আপনাকে ছেড়ে অন্ধকারে তলিয়ে যায়। আর সেখানে আপনি কাকে আপন খুঁজেন..!
মনের কথা বলুন তাও পরিপক্ব সময়ে বাবা-মায়ের কাছে।

কোনো বাবা-মা ছাড়া কারো কাছে মনের কথা বলবেন না। শোনার সময় খুব আবেগ দিয়ে শুনবেন। ঠিক সময় আসলে সেই আপনাকে খোঁটা দিবে আপনার আবেগ অন্যের কাছে বলে মজা নিবেন। আপনি তাদের আপন মনে করেন বাহ্। কি বলবো আপনাদের আপনারা, আপনি আমাদের থেকে অনেক বেশি বুঝেন। তবে, কোনো একদিন আপনার সাথে এরকম কিছু হলে আমাকে একটু হলেও স্মরন কইরেন।

যদি আপনার সাথে এরকমটা না ঘটে, সেদিন-

এই দখিনের জানালা, এই অপার আকাশ
শ্রাবণের পূর্ণিমায় জ্বলে ওঠা জলের উচ্ছাস,
সব আপনাকে ফিরিয়ে দিবো।

একটা কথা মনে রাখবেন,
প্রেমিকা, বেস্ট ফ্রেন্ড, বন্ধু, আই মিন যারা আত্মার সম্পর্কের হয় নতুন নতুন যাদের সাথে ভাব হয়। তাদের বেলায় দেখবেন-

শিশিরের হাত ধরে এসেছিলো ভোর, ঘাসের নিবিড় ঘুমে
জোনাক-জ্বলা সেই সন্ধ্যার ঘোর
ঘুম ঘুম, স্বপ্নের চাদরে মোড়া হিম রাত্রি নিঝুম।
নাও সেই স্বপ্নতরু, তুমুল জোৎস্নায় ফোঁটা কবিতা কুসুম!

প্রথম প্রথম কলিজার ভাই, কলিজার দোস্ত, আমার বাবু সোনা, আমার বেবি আরো কত কি..!

শেষবেলায় যা ঘটবে তা হলো-

কাঁটার আঘাত নেবেনা জানি, নাও ফুল ফোটানোর দিন,
শিয়রে অতল সমুদ্রের গান, ওই দিগন্তের নীল
নিঃসীমে আমার আকাশ যেখানে নীল।

সর্বশেষ সবাই বলে যাবে-

এঁকে দিয়ে যাবে বিরামচিহ্ন…!
তুমি ভালো থেকো।
ভালো থেকো তুমি;
চারিদিকে ঘোর কুটিল ভ্রুকুটি
নিজেকে একটু চোখে চোখে রেখো।

আর যাই করো না কেন!
সময়ের সাধিতে কাজ করো। না হয় অসময়ে সবকিছুই অযত্নে ঝড়ে যাবে। যে ফল ১২ মাসে পাকার কথা সে ফল কি আর ২ মাসে পাকপে। সবুরে মেওয়া ফল, ধৈর্য্যের ফল মিষ্টি হয়। আল্লাহ ধৈর্যশীল মানুষকে পছন্দ করে।

যারা বাকি তাদেরকেও জানিয়ে দিও…… যেটা অজানা ছিলো।

প্রচলিত ভাষায় কিছু কথা আছে, মনের কথা দো*নের কাছেও বইলো না। আর ন্যারায় বেলতলা একবারই যায়।

আল্লাহ সবার সহায় হোক

প্রিয় পাঠক আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুন নিম্নের ঠিকানায়  jamunaprotidin@gmail.com