যমুনা প্রতিদিন
ঢাকাবুধবার , ৩ আগস্ট ২০২২
  1. English
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরি
  8. ছবিঘর
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. প্রবাসের কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাইবান্ধার নাজমুল হকের পথচলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আগস্ট ৩, ২০২২ ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড।যার শিক্ষা ও বৈশ্বিক কোন জ্ঞান নেই গ্রামের ভাষায় তাকে অজ্ঞ-মূর্খ বলা হয়।তাছাড়া গ্রামীণ ভাষায় আরো একটি প্রবাদ আছে লেখাপড়া করে যে গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে সে।

জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি খবর দেখা আর সংবাদপত্র পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলেন বাবা।ছোটবেলার সেই অভ্যাসটায় আমার এক পর্যায়ে ভালো লাগার কারণ হয়ে ওঠে।এখন তিনি ফেসবুক অফিশিয়াল অ্যাপস মাঝে অধিকাংশ সময় পার করেন।

কেননা বর্তমানে অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে।তাছাড়াও সবধরনের নিউজ পোটাল এখন বৃহত্তম জনপ্রিয়তার শীর্ষে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে।

খবর পড়ার প্রতি যার তীব্র আগ্রহ থাকে সে পুরো বিশ্বকে মাথায় রাখার চেষ্টা করে।বর্তমানে অনলাইন ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বিশ্বের সব ধরনের খবর খবর রাখতে পারছি।তাই বলছেন তরুণ উদীয়মান সাংবাদিক মো নাজমুল হক।

২০১৭ সালে আমবাগান উচ্চ বিদ্যালয় বা মাধ্যমিক পাস করার পর কালের কণ্ঠ ছোটদের পাতায় লেখালেখির মাধ্যমে মূল ধারার গণমাধ্যমে যাত্রা শুরু তার।তিনি কিছুদিন পরে আবার নিয়মিত কাজ করা শুরু করেন dailyalokitapatrika.com ও  grambangla24.com পত্রিকায়।

মো নাজমুল হক তাঁর অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী করতে রেডিও ও সংবাদপত্র তিনি কাজ করেন।তার স্বীকৃতি স্বরূপ মিলেছে অসহায় ও বন্যার্থ মানুষের সাহায্য করায় উপজেলা ও স্থানীয় সরকার কৃতজ্ঞ অ্যাওয়ার্ড।সেই সাথে যুক্ত হয়েছে প্রজ্ঞার সাংবাদিকতা পুরস্কারও।

নাজমুল হক শাহ আজগার আলি ডিগ্রী কলেজ থেকে ইন্টার মিডিয়েট পড়া শেষ করে।পরে আবার লেখাপড়ার পরিধি বিস্তৃত করতে ভর্তি হয়েছিলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ঢাকায়।পাশাপাশি এখন ডেইলি আলোকিত পত্রিকা বিভাগের এডিটর হিসেবে কর্মরত।

তার বেড়ে ওঠা গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর ধাপেরহাট আমবাগানের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে।যৌথ পরিবারে পারিবারিক বন্ধনে কেটেছে শৈশবের দিনগুলো।শৈশব ও কৈশোর পেরিয়ে পা রেখেছেন যৌবনে।বাবা চাইতেন ছেলে সৃজনশীলতা ও মানবিক গুণাবলি নিয়ে আদর্শ মানুষ হয়ে বড় হবে।খবরের কাগজ পড়ার অভ্যাস থেকে স্কুলে পড়ার সময়েই তার লেখালেখির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। সেই আগ্রহের মাত্রা আরও বেড়ে যায় খবরের কাগজে নিজের নাম দেখে।

পত্রিকার পাতায় নিজের লেখা দেখতে পেয়ে অনেক আনন্দ হত। এটাই পরবর্তীতে গণমাধ্যমে কাজ করার জন্য বড় অনুপ্রেরণা।

শিশুদের সঙ্গে অন্যায়,অধিকার থেকে বঞ্চিত করা,তাদের দুর্ভোগ এবং নানা চাওয়া পাওয়া ওঠে এসেছে মো নাজমুল হকের প্রতিবেদনে।

এ প্রসঙ্গে মো নাজমুল হক বলছিলেন,’শিশু সাংবাদিকতা যেহেতু ভলান্টিয়ারিং ওয়ার্ক,তাই আমার মাথার ওপর তেমন কোনো চাপ ছিল না।উইলিংলি কাজ করতে পারতাম।তাই পাশাপাশি আরও কাজের অভিজ্ঞতা নেওয়ার ইচ্ছাও তৈরি হয় আমার।’

এখনকার সময়গুলোও তাকে খুব একটা অবসর দেয় না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ও পেশাগত দায়িত্ব তাকে ব্যস্ততার গণ্ডিতেই আটকে রাখে।সুযোগ পেলেই সল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র তৈরি,অনলাইন মুক্তা পেশার কাজ, বই, ম্যাগাজিন ও সংবাদপত্রে লেখালেখি,সামাজিক সংগঠন ও ফেসবুক সামাজিক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

ভবিষ্যতেও তিনি কাজের মাঝেই থাকতে চান।স্বপ্ন দেখেন একদিন প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলবেন।

প্রিয় পাঠক আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুন নিম্নের ঠিকানায়  jamunaprotidin@gmail.com