যমুনা প্রতিদিন
ঢাকামঙ্গলবার , ১ নভেম্বর ২০২২
  1. English
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরি
  8. ছবিঘর
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. প্রবাসের কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর

যমুনা প্রতিদিন
নভেম্বর ১, ২০২২ ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত [স্টাফ রিপোর্টার]

বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। রুপকল্প ২০২১ এবং একশ’ বছরের ডেল্টা প্লানকে সামনে রেখে দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। তারই ধারাবাহিকতায় শত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মাননীয় মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং সম্মানিত সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে এগিয়ে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এর কর্মকান্ড। সওজ এর দক্ষ প্রকৌশলীদের অবিরত কাজের চেষ্টায় সড়কে ফিরেছে গতি।

হাইওয়ে ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট মডেল (এইচডিএম-৪) সফটওয়্যার ব্যবহার করে সড়কের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর। সওজের অধীনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক ও জেলা সড়ক। সারাদেশে এই সংস্থার সড়ক আছে সাড়ে ২২ হাজার কিলোমিটার। এরমধ্যে ১১০টি জাতীয় মহাসড়ক প্রায় চার হাজার কিলোমিটার।

সড়কের সার্ফেসিং এবং রাইডিং কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে সওজের সড়ক গুলোকে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ভালো ও ফেয়ার সড়ক হচ্ছে আদর্শ। সর্বশেষ এইচডিএম নিডস রিপোর্ট অনুযায়ী ফেয়ার থেকে ভালো সড়কের পরিমাণ ৮৯.৬৫%। ৮ম পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনার লক্ষ্য অনুযায়ী ৫ম বছর শেষে এই পরিমাণ ৯০% এ উন্নীত করার লক্ষ্য মাত্রা রয়েছে। প্রধান প্রকৌশলীর গতিশীল নেতৃত্বে মাত্র ২ বছরেই এই লক্ষ্যমাত্রা প্রায় অর্জিত হয়েছে, আগামী ৩ বছরে এই অর্জন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। আর তুলনামূলকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ ধরণের সড়কের পরিমাণ মাত্র ১০%।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাসেক (১) প্রকল্পের আওতায় জয়দেবপুর এলেঙ্গার কাজ প্রায় ৯৮% শেষ হয়েছে। সাসেক (২) প্রকল্পের আওতায় রংপুর এলেঙ্গার কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৫৫%। সাসেক-২ প্রকল্পটিতে মহাসড়কের সর্বপ্রথম সিআরসিপি (কন্টিনিউয়াসলি রেইনফোর্সড কঙ্ক্রিট পেভমেন্ট) সড়ক নির্মিত হচ্ছে এবং এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকার মিরপুরে রোড রিসার্চ ট্রেনিং সেন্টার (সেন্টার ফর এক্সেলেন্স) নির্মিত হচ্ছে যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরামর্শক ও গবেষকবৃন্দের সাথে যৌথ সমন্বয়ে, মহাসড়ক ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো বিনির্মাণ সম্পর্কিত অধিকতর ফলিত গবেষণার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। এছাড়াও খুব দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে ঢাকা -সিলেট, সিলেট -তামাবিল,যশোর-ঝিনাইদাহ সড়কের কাজ। এছাড়াও শুরু হয়েছে কেওয়াটখালি সেতু, নলুয়া-বাহেরচর সেতু, পানগুচি সেতু ও চুনকুরি সেতু নির্মাণ প্রকল্পের কাজ।

অন্যদিকে চলমান রয়েছে ঢাকা -বাইপাস, ডেমরা -আমুলিয়া মহাসড়ক নির্মাণ কাজ। এছাড়াও কুমিল্লা -আখাউড়া ও জয়দেবপুর -মদনপুর সড়কের নির্মাণকাজ সহ এসব প্রকল্প ও সড়কের কাজ দ্রুত শেষ হলে নতুন দিগন্ত স্থাপন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর তথা সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

সড়ক খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ,কে,এম, মনির হোসেন পাঠান। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিভাগের প্রতিটি প্রকল্পের অগ্রগতি ও গুনগতমান বজায় রেখে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীন ২৮টি এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশন স্থাপন প্রকল্প কাজের ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা কাটিয়ে এখন অনেকটাই গতি পেয়েছে। মাননীয় মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় প্রতি মুহুর্তেই প্রকল্পটির অগ্রগতি মনিটরিং করে আসছেন।

তাছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক দুরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কভার্ডভ্যান চালকদের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ৪টি বিশ্রামাগার নির্মাণ প্রকল্পের মধ্যে ২টি বিশ্রামাগার নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ২টি বিশ্রামাগার (Resting Place) উদ্বোধনের অপেক্ষমান আছে।

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য তনয়া, আধুনিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক, উন্নয়নের মানসকন্যা, জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তাঁর বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর দেশের মহাসড়ক নেটওয়ার্ক বিনির্মাণে দৃপ্ত পদক্ষেপে উজ্জ্বল চিহ্ন এঁকে চলছে। মুক্তিযুদ্ধের পর মাত্র ২৪০০ কিলোমিটার পাকা সড়ক ও ৪৫৬৫টি সেতু দিয়ে যাত্রা শুরু করা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর স্বাধীনতার ৫০ বছরে তৈরি করেছে ২৪ হাজার কিলোমিটারের অধিক সড়ক এবং ২১ হাজারের বেশী সেতু কালভার্টের একটি মহাসড়ক নেটওয়ার্ক।
নিরবচ্ছিন্ন মহাসড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০০৯ থেকে সরকারের বর্তমান মেয়াদ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত মহাসড়ক নেটওয়ার্কে ১,৫৫৮টি সেতু ও ৭,৪৯৮টি কালভার্ট নির্মাণ/পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু, চট্টগ্রামে শাহ আমানত সেতু (৩য় কর্ণফুলী সেতু), বরিশালে আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু, লালমনিরহাটে তিস্তা সেতু, গোপালগঞ্জে শেখ লুৎফর রহমান সেতু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২য় কাঁচপুর সেতু, ২য় মেঘনা, ২য় গোমতী সেতু, মাদারীপুরে ৭ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আচমত আলী খান সেতু, পটুয়াখালীতে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল সেতু, নরসিংদী জেলায় চরসিন্দুর সেতু, ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী জাতীয় মহাসড়কের ১৮৯তম কিলোমিটারে পায়রা নদীর উপর নির্মিত ‘পায়রা সেতু’, পিরোজপুরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ৮ম বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতু, নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা এ, কে, এম নাসিম ওসমান ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতু, নড়াইলে মধুমতী সেতু ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তথা রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানসহ সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সর্বমোট ৪১,৬০০ মিটার সেতু নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে গত দুই অর্থবছরে ২৪,১১০ মিটার সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রতিবন্ধকতাহীন সড়ক নেটওয়ার্ক স্থাপনের অভিলক্ষ অর্জনের অভাবনীয় সাফল্যের গল্পে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন মাত্রা “নবনির্মিত শত সেতু”র উদ্বোধন।
এই একশটি সেতু বাংলাদেশের ২৭টি জেলায় অবস্থিত যার সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৫,৪৯৪ মিটার। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৬টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬টি, সিলেট বিভাগে ১৭টি, বরিশাল বিভাগে ১৪টি, রাজশাহী বিভাগে ৫টি এবং ৫টি সেতু রংপুর বিভাগে নির্মিত হয়েছে। এ সেতুগুলোর অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নিজস্ব প্রকৌশলীবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত ডিজাইন ইউনিট সবগুলো সেতুর Structural Design প্রণয়ন করেছেন। সেতুসমূহের ডিজাইন প্রণয়নে ও নির্মাণকালে ব-দ্বীপ পরিকল্পনার মূলনীতি অনুসরণে নদী বা খালের প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখা, পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এদের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে বিবেচনা করা হয়েছে। এই ১০০ টি সেতু সম্পূর্ণভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত। তাই শত সেতুর উদ্বোধন রাষ্ট্রের আর্থিক ও প্রকৌশলগত সক্ষমতার প্রতীক। এই অর্জনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাগণ নিরলস পরিশ্রম করেছেন।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ,কে,এম, মনির হোসেন পাঠান সিটি নিউজ ঢাকাকে বলেন, মুজিব শতবর্ষে আমাদের অঙ্গীকার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক নিরাপদ ও টেকসই সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মানে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নিরলস কাজ করে যাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখবে।আর সেই লক্ষ্যে দেশের সকল সড়ক এর উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছি আমরা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। সহস্র সম্ভাবনার শত সেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনের জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

২০২২ সালের মে মাসে সিলেট জোনের সড়কসমূহ শতাব্দীর অন্যতম বৃহৎ বন্যায় প্লাবিত হয়। এতে সিলেট জোনের মোট ২৮টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১৫ কিলোমিটার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা অনুযায়ী, মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব জনাব এ বি এম আমিনউল্লাহ নুরী এবং প্রধান প্রকৌশলী জনাব এ,কে,এম, মনির হোসেন পাঠান একাধিক বার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নেটওয়ার্ক পরিদর্শন করে, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নেটওয়ার্ক পুনর্বাসনের কৌশল নির্ধারণ করেন। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আন্তরিক উদ্যোগে, দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ন্যূনতম সময়ের মধ্যে, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরপরই যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করা হয়। জরুরিভাবে উদ্যোগ নিয়ে পিএমপি (মেজর-সড়ক) কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে ৩৫১ কিলোমিটার সড়ক মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একইভাবে পিএমপি (সেতু) কর্মসূচি ও গ্রহণ করা হয়েছে কৌশলগতভাবে গুরত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ/পুনঃনির্মাণের জন্য যাতে, সড়ক নেটওয়ার্কের গতিশীলতা আনয়ন ও দুর্গম অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ স্থাপন সহজতর হয়।

এদিকে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে সড়ক নেটওয়ার্ক বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে তৎকালীন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এ,কে,এম,মনির হোসেন পাঠান রাজধানীর হাতিরঝিল সংলগ্ন তেজগাঁওয়ের দক্ষিণ কুনিপাড়ায় অবস্থিত সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক ভবনে বঙ্গবন্ধুর একটি ম্যুরাল নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বঙ্গবন্ধুকে কেন্দ্রে রেখে মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে তৈরি এই ম্যুরালের নাম দেওয়া হয়েছে তৃতীয় নেত্র। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিন এটি উদ্বোধনের কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিক স্থাপত্য কলার নান্দনিক নিদর্শন সড়ক ভবনকে পটভূমিতে রেখে জাতির পিতার ম্যুরালটি হবে তার কীর্তির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের উপযুক্ত প্রয়াস।

প্রিয় পাঠক আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুন নিম্নের ঠিকানায়  jamunaprotidin@gmail.com