যমুনা প্রতিদিন
ঢাকারবিবার , ১৩ নভেম্বর ২০২২
  1. English
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরি
  8. ছবিঘর
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. প্রবাসের কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মান্দায় রাতে আটকের পর সকালে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নভেম্বর ১৩, ২০২২ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁর মান্দায় দোকানঘর ভাংচুরের অভিযোগে ৩ যুবককে রাতে আটকের পর থানায় এনে সকালে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১২ নভেম্বর) রাতে উপজেলার পরানপুর ইউপির সদলপুর গ্রামে।

অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার মান্দা সদর ইউপির কালিকাপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে শাজিদ (২০), একই গ্রামের মোতাহার হোসেনের ছেলে মোস্তাকিম হোসেন(১৮) এবং ঘাটকৈর গ্রামের মান্ডার ছেলে সাঈদি(১৯)।

অভিযোগকারী ও ভুক্তভোগী হলেন, উপজেলার পরানপুর ইউপির সদলপুর গ্রামের কছিমদ্দিন শাহার ছেলে হাফিজুর রহমান (৩৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ঘটনার দিন রাতে অভিযুক্ত ৩ যুবক সাবেক ইউপি সদস্য মাজেদুর রহমান মিঠুর হুকুমে সদলপুর মোড়ের উপর ইট দিয়ে নির্মাণাধীন দোকানঘর ভাংচুর শুরু করেন। এসময় স্হানীয়রা খবর পেয়ে তাদেরকে আটক করেন । এরপর জাতীয় তথ্য সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশি সহযোগীতা চান। পরে থানার উপ-পরিদর্শক শামীম হাসান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩ যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যান। ওই সময় স্থানীয়রা আটকের ছবি তুলায় ধমক দিয়ে ফোন কেডে নিয়ে ডিলিট করে দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ভূক্তভোগী হাফিজুর রহমান বলেন, আমার নির্মাণাধীন দোকানঘর অবৈধভাবে দখল করতে মধ্যরাতে মিঠু মেম্বার তাদেরকে দিয়ে ভাংচুর শুরু করেন। এসময় স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাদেরকে আটক করা হয়। পরে থানা পুলিশ এসে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে যান । সকালে শুনলাম আকটকৃতদের থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত মাজেদুর রহমান মিঠুর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আদালত বিবাদমান জমির উপর (১৪৪ ধারা)জারী করা আছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আধারে হাফিজুর রহমান ঘর নির্মাণ করছেন। ভাংচুরের বিষয়ে তারা আমাকে কিছু জানায় নি।

এ ব্যাপারে মান্দা থানার উপ-পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। আটককৃতরা এইচএসসি পরীক্ষার্থী হওয়ায় সার্কেল ও ওসি স্যারের অনুমতি নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর-এ- আলম সিদ্দিকী (বিপিএম) বলেন , এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছিল। তারা পরীক্ষার্থী হওয়ায় অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রিয় পাঠক আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুন নিম্নের ঠিকানায়  jamunaprotidin@gmail.com