1. jamunaprotidin@gmail.com : jamunaprotidin : Nihal Khan
  2. info@jamunaprotidin.com : Nihal :
রাজাপুর সরকারি কলেজে উন্নয়ন ফি'র নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ » Jamuna Protidin
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
https://www.jamunaprotidin.com/wp-content/uploads/2021/06/received_2533092490170416-1.jpeg

https://www.jamunaprotidin.com/wp-content/uploads/2021/06/received_2533092490170416-1.jpeg

রাজাপুর সরকারি কলেজে উন্নয়ন ফি’র নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১
  • ৩৫ বার পঠিত

রাজাপুর সরকারি কলেজ থেকে ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক অটোপাশ করা শিক্ষার্থীদের মার্কশীট ও প্রশংসাপত্র দেয়ার জন্য উন্নয়ন তহবিলের নামে অবৈধ চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

গত দু’সপ্তাহ ধরে কলেজের অফিস সহকারী (করনিক) জাকারিয়া জুয়েল প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ফোন দিয়ে ৬০০ টাকা করে নিয়ে আসতে বলেছে এমন অভিযোগ একাধিক শিক্ষার্থীর। গত বছর এই কলেজ থেকে মোট ১৯৫ জন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় পরিক্ষার ফরম ফিলাপের সময় কলেজের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০০ টাকার উপরে নেওয়া হয়েছে, আবার পরিক্ষার এডমিট কার্ড দেওয়ার সময় পূণরায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০০টাকা করে নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষার্থীরা বলছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ পূর্বে বলেছিলো, পরিক্ষা যেহেতু হয়নি এডমিট কার্ডের জন্য যে ৫০০টাকা করে নিয়েছে সেই টাকা ফেরত দেয়া হবে শিক্ষার্থীদের। কিন্তু সেটি করা হয়নি।

সরকার যখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা না নিয়ে JSC এবং SSC পরিক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ জেএসসি ও এসএসসি’র বোর্ড মার্কশিট জমা নেয়। সাথে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০ টাকাও নেয় তখন।

যারা অটোপাস করেছে, কলেজের অফিস সহকারী যাকারিয়া জুয়েল সেইসকল শিক্ষার্থীদের নাম্বারে কল দিয়ে HSC বোর্ড মার্কশিট, সার্টিফিকেট ও প্রশংসা পত্র পাবার জন্য দরখাস্ত এবং সাথে ৬০০টাকা নিয়ে কলেজে আসতে বলে।

প্রথমে ৬০০টাকা কলেজ অফিসে জমা দিলে তার একটি রসিদ দেয়া হয়। এরপর অধ্যক্ষ রসিদ দেখে দরখাস্তে সাইন দেন। তখন পাওয়া যায় প্রশংসা পত্র ও বোর্ড মার্কশিট।

এরপর যখন সার্টিফিকেট বের হবে তখন এই ৬০০টাকার রসিদ জমা দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে। রসিদ হারিয়ে গেলে পূণরায় ৬০০টাকা দিয়ে রসিদ নিতে হবে।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে রাজাপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম বারী জানান, এটি উন্নয়ন তহবিলের জন্য নেয়া হচ্ছে, তবে কেউ অসচ্ছল হলে বা অনুরোধ করলে তাঁদের কাছ থেকে কমিয়ে নেয়া হচ্ছে।

তিনি প্রতিনিধিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার কলেজ থেকেও প্রশংসা পত্র আনার সময় আপনি এই চাঁদা দিয়ে এসেছেন, এতে বেআইনি কিছু নেই।

এডমিড কার্ডের টাকা ফেরত দেয়া এমনকি ফর্ম ফিলাপের টাকা ফেরতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফর্ম ফিলাপের টাকার বিষয়ে বোর্ড কিছু জানায়নি এবং এডমিট কার্ডের টাকা এখনো আমরা ফেরত পাইনি।

সরকারি কলেজে সরকারের বরাদ্দে সব উন্নয়ন হয় এরপর আবার উন্নয়ন ফী কীসের এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অধ্যক্ষ।

এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনূসকে জানানো হলে তিনি বলেন, সরকারি কলেজের উন্নয়ন তহবিলে শিক্ষার্থীরা কেনো টাকা দেবে! এটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মোক্তার হোসেন বলেন, কেউ যদি অভিযোগ করে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ

    © All rights reserved © 2021 যমুনা প্রতিদিন
    Theme Customized BY Sky Host BD